বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার নামটি অনন্য মহিমায় মহিমান্বিতঃ যুবদল নেতা শিমুল আহমেদ

অনলাইন ডেস্ক
যুবদল নেতা শিমুল আহমেদ ছবি:
যুবদল নেতা শিমুল আহমেদ ছবি:

Total Views: 509

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৮তম কারামুক্তি দিবস আজ। ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন সেনাসমর্থিত সরকার ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এরপর থেকে মুক্তির এ দিনটিকে খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করা হয়। গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে দেশবাসীকে এই দিনটির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শিমুল আহমেদ । 

শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সফল ব্যক্তিত্ব। তিনি গণতন্ত্র রক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিটি আন্দোলনে সফল হয়েছেন। যে কারনে তাকে বলা হয় আপোসহীন নেত্রী। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার নামটি অনন্য মহিমায় মহিমান্বিত। সময়ের প্রয়োজনে দেশমাতৃকার জন্য অপরিহার্য হয়ে ওঠা ব্যক্তিত্ব তিনি।

খালেদা জিয়া সবসময়ই জনগণের জন্য দেশে থেকে রাজনীতি করে গেছেন। তিনি দলকে ছেড়ে কখনো যাননি। এক-এগারোয় খালেদা জিয়াকে বারবার চলে যেতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তিনি যাননি। স্বৈরাচারী হাসিনার আমলে নানা ভাবে প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন খালেদা জিয়া। শত অন্যায়, অত্যাচারের শিকার হয়েও তিনি দেশ ছেড়ে চলে যায়নি। তবে সময়ের ব্যবধানে সেই স্বৈরাচারী হাসিনা গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়।

বেগম খালেদা জিয়া সাধারণ গৃহবধূ থেকে হয়ে উঠেন তুখোড় রাজনীতিক, অন্দর থেকে আসীন হন বিশ্বমঞ্চে। তিনি বাংলাদেশের প্রথম ও মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথিকৃত। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি যে বিচক্ষণতা ও নেতৃত্বের দূরদর্শীতা দেখিয়েছেন তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি ব্যক্তি জীবনে যেমন স্বল্প ও স্পস্টভাষী তেমনি রাজনীতিতে চমৎকার ধীশক্তি সম্পন্ন।

আজকের এই দিনে প্রার্থনা করি  গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া দেশ-মাতৃকার জন্য নিবেদিত গণতান্ত্রিক রাজনীতির এই মহান ব্যক্তিত্ব আমাদের মাঝে বেঁচে থাকুন হাজার বছর ধরে।  কারামুক্তি দিবসে আপনাকে বিরোচিত অভিনন্দন। আপনার লড়াই-সংগ্রাম আর আত্মত্যাগে অনুপ্রাণিত হোক প্রজন্মের পর প্রজন্ম। দীর্ঘায়ু হোন দেশ মাতা বেগম খালেদা জিয়া।

উল্লেখ্য যুবদল নেতা শিমুল আহমেদ শহিদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের একজন লড়াকু সৈনিক । দলের দুর্দিনে রাজপথে সংগ্রামে মুখর এক সংগ্রামী নেতা যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের শিমুল আহমেদ। তার যখন রাজনীতিতে হাতেখড়ি তখন বর্তমানে যারা রাজনীতিতে আছেন তাদের অনেকের জন্মই হয়নি। আওয়ামী দুঃশাসনের পুরো সময়ে তিনি দলের প্রয়োজনে মাঠে ছিলেন, ৪০ এর বেশি মামলায় আসামী হয়েছেন, জেলে ছিলেন প্রায় বছরখানেক সময়। ক্ষতির শিকার হয়েছেন সামাজিক, পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ভাবে। কিন্তু সুযোগ থাকার পরেও কখনো আপোষ করেন নাই। গত আওয়ামী  স্বৈরাচারী শাসনামলে তিনি ছিলেন নির্যাতিত। হামলা মামলায় জর্জরিত। 

শিমুল আহমেদ বৃহত্তর উত্তরা থানার অন্তর্গত দক্ষিনখান ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিএনপির পথচলা শুরু করেন প্রায় ২ যুগ আগে। এরপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন উত্তরা থানা যুবদলের, উত্তরা মডেল থানা যুবদলের ও ছিলেন সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক, উত্তরা পশ্চিম থানা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ও ছিলেন কিছু সময়,

সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক এর দায়িত্বেও ছিলেন উত্তরা পশ্চিম থানা যুবদলের, এরপর যুগ্ন আহবায়ক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের, সবশেষ তার পালকে যুক্ত হয় টিম প্রধান মিরপুর জোন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল হিসেবে।

এই লম্বা রাজনৈতিক সফরে তিনি পথচ্যুত হননি কখনো, একি পথে অক্লান্ত পথ চলেছেন অবিরাম।

বর্তমান সময়ে তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করতে হলে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করতে হবে। বিগত দিনে যারা গর্তে লুকিয়ে ছিল, আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করেছিল, তাদের এখন আস্ফালন দেখা যাচ্ছে। এ সুবিধাভোগীদের কাছে ত্যাগীরা হারিয়ে গেলে পুরো বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দলের দুর্দিনে যারা বেইমানি করেনি, যে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে এখন সময় তাদেরকে মুল্যায়ন করার।

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত